TURNER IT SOLUTION

শনিবার ২০ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ১০:০৭ pm

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include() [function.include]: Failed opening 'usbd/config/connect2.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: mysql_num_rows() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/onn24/public_html/details.php on line 84

এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য দুটি কথা

  • এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য দুটি কথা

    এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য দুটি কথা

বিজ্ঞানি ফ্রাঙ্কলিন-এর উক্তি দিয়ে শুরু করি। তিনি বলেছেন - শিক্ষা ব্যতীত একজন প্রতিভাবান, খনিতে থাকার রূপার মতন। আগামী ১ ফেব্রুয়ারী থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে এস এস সি পরীক্ষা। মূল্যায়নের একমাত্র পদ্ধতিই হচ্ছে পরীক্ষা। সেটা যে কোনো ক্ষেত্রই হোক না কেন। আর প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম মাইলফলক হচ্ছে এস এস সি পরীক্ষা।দীর্ঘ দশ বৎসরের শিক্ষা জীবনের মূল্যায়ন হয় এস এস সি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। আর যে কোনো শিক্ষার্থীর জন্য এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হয় উচ্চশিক্ষার।


সব কিছুর মত এই পরীক্ষা পদ্ধতিতে গঠনমূলক অনেক পরিবর্তন এনে একে উন্নত করা হয়েছে, যা ফলপ্রস্যু। আগের পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে এখনকার পদ্ধতি ভিন্ন।শিক্ষার্থীরা এখন সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা দিচ্ছে। সৌভাগ্যবানই বটে। কারণ তাদেরকে এখন মুখস্থ বিদ্যার সাথে যুদ্ধ করতে হচ্ছে না। অধিক মনোযোগী হয়ে পড়লে নিজের চিন্তা শক্তির বিকাশ ঘটিয়ে ভাল ফলা ফল করা খুব সহজ। খুব একটা বেগ পেতে হচ্ছে না। অল্প পরিশ্রমে বেশি শেখা সম্ভব। এখন পাশের হার বেশি হওয়ার পাশাপাশি জি পি ৫-এর সংখ্যাও বেশি। যা শিক্ষার উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। 


আগের মত টানা মুখস্ত না করে এখন শুধু মূল বইটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়তে হয়। ফলে পরীক্ষার হলে চিন্তাভাবনা করে উত্তর বের কথা যায়। পরীক্ষার ফলাফলে সবায় একটা গ্রেড পায়। জীবনের প্রথম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এইবার যারা দেবে স্বভাবতই কিছুটা ভয় জড়তা থাকার কথা। অভিভাবকরা চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু এটা ভুল।যে সমস্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবক চিন্তা বা উৎকণ্টা নিয়ে আছেন তাদের কথা মাথায় রেখে তাদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ তুলে ধরা হচ্ছে। আশা করি হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কিছুটা হলেও উপরে আসবে।


পরীক্ষার হলে ভয়ের কিছুই নাই। মনে রাখতে হবে সেখানে যারা থাকবেন তারা সবাই শিক্ষার্থীদের অভিভাবক। আর অভিভাবকরাই তো শিক্ষার্থীদের সাহাস্যকারী। ব্যস, এতটুকুই যথাষ্ট। তাছাড়া এর আগে তো পি এস সি ও জে এস সি পরীক্ষা দেওয়ার অভ্যাস আছে। নেপোলিয়ান কি বলেছেন মনে আছে? তিনি বলেছেন, সাহস ভালবাসার মত, যার আছে আশা অঙ্গীকার। এই বাণী মনে ধরলে ভয়ের আর কোনো কারণ নেই। একজন পরীক্ষার্থী সাধারণত নির্বাচনী পরীক্ষার পূর্বেই তার পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এবং নির্বাচনি পরীক্ষা পরবর্তী সময়ে সে বিভিন্ন উপায়ে তার প্রস্তুতি নিশ্চিত করে। তাই আর ভয় নয়। 


আগেই বলেছি এস এস সি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারী থেকে অর্থাৎ হাতে আছে মাঝে মাত্র একদিন বাকি।রুটিন যেহেতু পেয়ে গেছে সবাই, সেহেতু এবার সুবিধামত ছক করে নিয়ে কেবল পড়া বিষয়গুলো চর্চা করতে হবে। আমার মনে হয়, এর মাঝেই সকল প্রস্তুতি শেষ করে নিয়েছে পরীক্ষার্থীরা। তাই আর যেটুকু সময় আছে, তাতে নতুন করে কোন কিছু না পড়াই ভাল। বরং পুরনো যা পরীক্ষার জন্য পড়া হয়ে গেছে, তাই বারবার ঝালাই করা উচিত। ঘরে বসে মডেল টেষ্ট দেওয়া ভালো, নমুনা উত্তর লেখার চেষ্টা করতে হবে।


কোনো শিক্ষার্থীর মেধার প্রকাশ করতে হলে, অবশ্যই কয়েকটি বিষয়ে অধিক যত্মবান হতে হবে। সঠিক নিয়মে উত্তর লিখতে সৃজনশীল ও বহু নির্বাচনী আশা মিলে নববই শতাংশ বা তারও বেশি নম্বর তোলা সম্ভব। যেহেতু প্রত্যেকটা প্রশ্নের সাথে পাঠ্য বই এর সাথে সম্পর্কিত। বইয়ের বিভিন্ন বিষয় থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের উদ্দীপক এবং সংশিস্নষ্ট চারটি করে প্রশ্ন থাকে। উদ্দীপকটি ভালভাবে পড়ে প্রথমেই বুঝে নিতে হবে সেটি পাঠ্য বইয়ের কোন অধ্যায়ের সংঙ্গে সংশ্লিষ্ট।


সৃজনশীলের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরের পরিধি কোনো বিষয় নয়। শুধু জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতার উপস্থিতি দরকার। জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর একটি শব্দে দেওয়া যায়, তবে পূণাঙ্গ বাক্য লিখলে ভালো। অনুধাবনে প্রথমে এক বাক্যে জ্ঞান মূলক অংশটি লিখে তা বিশ্শ্লেষণ করতে হবে। পরে পাঁচ সাত লাইনের এক প্যারায়, খেয়াল রাখতে হবে যা লিখছো তা যেন অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হয়। প্রয়োগ অংশে এক প্যারায়ই সব কথা থাকতে পারে, তবে এতে জ্ঞান, অনুধাবন ও উদ্দীপকের সঙ্গে পাঠ্য বইয়ের সমন্বয় ঘটাতে হবে। উচ্চতর দক্ষতা মানেই একটি সিদ্ধান্তের ব্যাপার, এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অনুধাবন ও প্রয়োজনীয় অংশ লিখার পর একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।আনুষঙ্গিক প্রাসঙ্গিক বিষয় রয়েছে কিছু। কিন্তু মনের ভেতর কোনো টেনশন রাখা যাবে না।


পরীক্ষার আগে প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে এর ফটোকপি করে নিতে হবে। বাড়ী থেকে পরীক্ষার হলের উদ্দ্যেশ্যে বের হওয়ার আগে দরকারি জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে অবশ্যই যেন ভুল না হয়। যেমনঃ প্রবেশপত্র, রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, কলম, পেনসিল, ঘড়ি ইত্যাদি। প্রথম দিন পরীক্ষা শুরু হওয়ার অন্তত এক ঘন্টা আগে হলে পৌঁছার চেষ্টা করা ভালো। কারণ নিজের সিট্ কোথায় সেটা খুঁজে বেড় করতে সময় লাগতে পারে।


ব্যাবহারিক সহ প্রায় দেড় মাস পরীক্ষা হবে। সুতরাং প্রস্তুতির পাশাপাশি শারীরিক প্রস্তুতি জরুরী। পড়াশুনার পাশাপাশি খাওয়া, ঘুম, বিশ্রাম এগুলোও নিয়ম মেনে করতে হবে। বেশী রাত জাগা ভালো না। শরীর সুস্থ না থাকলে ভালো প্রস্তুতি নিয়েও পরীক্ষায় তা প্রয়োগের সুযোগ পাবে না। টানা পড়াশুনা অনেক সময় বিরক্তির জন্ম দেয়। হলে আশে পাশের কারো কাছ থেকে সহায়তা পাবে এমন আশা না করা ভাল। নিজের ওপর শতভাগ বিশ্বাস রাখতে হবে। যেমন এর আগে নির্বাচনি, প্রাক নির্বাচনি, অনেক পরীক্ষায় সফল হয়েছে। তাই এই চূড়ান্ত পরীক্ষায়ও ভালো হবে এমন আশা রাখতে হবে।   


পরীক্ষার কেন্দ্রে কি নেওয়া যাবে আর কি করা যাবে না এটা প্রবেশ পত্রের পিছে লিখা আছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে যে উত্তরপত্র দেওয়া হয় তাতেও কিভাবে উত্তরপত্রে লিখতে হবে, অতিরিক্ত পাতা নিলে তা কোথায় উল্লেখ করতে হবে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত লেখা আছে। খাতায় মার্জিনের জন্য স্কেল ব্যবহার ভালো।


খাতা হাতে পাওয়ার পর সতর্কতার সঙ্গে নাম, রোল নম্বর, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে। ভুল হলে যত ভালো পরীক্ষা হোক, ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়। বিষয় কোড লিখতে হবে প্রশ্ন পাওয়ার পর। বৃত্তের ওপর কোনো রকম কাটা ছেঁড়া বা ঘষামাজা করা যাবে না। সেট কোডে ভুল করা যাবে না। কোনো ভুল হলে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা পরিদর্শককে জানাতে হবে।

ও এম আর শিট পূরনের ক্ষেত্রে ভুল হলে অনেকে বকাঝকা খাওয়ার ভয়ে পরিদর্শককে বিষয়টি জানায় না। এমনটি করলে বড় ধরনের জটিলতায় পড়তে হবে। যারা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কিংবা পরীক্ষক, তাদের সহনশীল মনোভাব পরীক্ষার্থীর আস্থা বাড়ায়। এস এস সি পরীক্ষায় ইংরেজী ও বাংলা দুই মাধ্যমে প্রচলিত আছে। তাই পরীক্ষার ডিউটিরত শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের এই ব্যাপারে সু-দৃষ্টি করে।


প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর প্রতিটি প্রশ্ন মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর লেখা শুরুর আগে তার নম্বর সুন্দর হস্তাক্ষরে লিখতে হবে। প্রশ্নের নম্বর লেখার পর প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। প্রশ্নের একটি উত্তর লেখা শেষ হলে সমাপ্তি চিহ্ন (#) দিয়ে দুই ইঞ্চি ফাঁকা রেখে নিচ থেকে পরবর্তি উত্তর শুরু করতে হবে।


উত্তর লেখার সময় ভুল করে পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকলে তা লম্বাভাবে কলম দিয়ে কেটে দিতে হবে। হাতের লেখা সুন্দর হতে হবে। সুন্দর না হলেও যেন পরিচ্ছন্ন হয়। লিখতে হবে দ্রুত, হাতের লেখা যেন বাঁকা না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। লেখার সময় অযথা কাটা কাটি বা ঘষামাজা করা ভালো না । কাটতে হলে একটানে কাটতে হবে। 


পরীক্ষা শেষের অন্তত দশ মিনিট আগে সব প্রশ্নের উত্তর শেষ করতে হবে। এরপর নিজের লেখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।  তখন খেয়াল করতে হবে- (১) প্রশ্ন পত্রের নম্বরের সঙ্গে উত্তর পত্রের নম্বরের মিল আছে কি না। (২) প্রতিটি পাতায় মার্জিন দেওয়ার হয়েছে কি না। (৩) উত্তর পত্রের শিটে বৃত্ত ভরাট এবং অতিরিক্ত উত্তর পত্রের সংখ্যা লেখা হয়েছে কি না। (৪) উত্তর পত্রের অতিরিক্ত পাতা স্টেপল করা হয়েছে কি না। (৫) পরীক্ষার শেষ ঘন্টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর পত্র কক্ষ পরিদর্শককে বুঝিয়ে দিতে হবে। 


উত্তর পত্র জমা দেওয়ার পর প্রবেশ পত্র, কলম পেনসিল, জ্যামিতি বক্স ইত্যাদি গুছিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষার কক্ষ ত্যাগ করতে হবে।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উক্তি আছে। এটার মধ্য দিয়ে শেষ করতে চাই  ‘সম্মানের জন্য মানুষ শিরোপা প্রার্থনা করে এবং তার প্রয়োজনও থাকতে পারে। কিন্তু শিরোপা দ্বারা মানুষের মাথা বড় হয় না, আসল গৌরবে বার্তা মস্তিস্কেই আছে শিরোপায়, প্রাণের সৃষ্টি ঘরে আছে। এখান থেকে অর্জন কর সাফল্য।


সর্বোপরি এস এস সি পরীক্ষার সকল পরীক্ষার্থীদের প্রতি রইল শুভেচ্ছা ও ভালবাসা। সবাই যেন তাদের সৃজনশীলতার পুরোটাই এই পরীক্ষায় ঢেলে দিয়ে নিজেদের মেধা এবং প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারে এ কামনাই রইলো।
মাছুরা খাতুন টুনি - চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

ONN TV
payoneer
নিউজ আর্কাইভ
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ ব্যাপী ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠা

জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ
জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গনসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার

দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নবগত নির্বাহী অফিসারের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়
 শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা নবগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। সোমবার দুপুরে নির

দেবহাটায় ছাত্রলীগের ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট
৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

মীর খায়রুল আলম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ছাত্রলীগের উদ্যেগে ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার গোপাখালি মাঠে দে

দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন
দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন

মীর খায়রুল আলম:: দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে ছুটির দিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। শুক্রবা

শিরোনাম