TURNER IT SOLUTION

মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ৭:১৬ pm

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include() [function.include]: Failed opening 'usbd/config/connect2.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: mysql_num_rows() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/onn24/public_html/details.php on line 84

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ দুইটি নাম একটি ইতিহাস

  • বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ দুইটি নাম একটি ইতিহাস

    বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ দুইটি নাম একটি ইতিহাস

বিষয়টি অনভিপ্রেত হওয়া সত্ত্বেও বারবার বাঙালি বঙ্গবন্ধুর সাথে জিয়াউর রহমানের তুলনা করে বসে। বঙ্গবন্ধুর সাথে জিয়ার তুলনা কখনই হতে পারে কি?


একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে জিয়াকে বাকি ১৪ জন সেক্টর কমান্ডারের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।
জেড ফোর্সের প্রধান হিসেবে জিয়াকে অন্য দুটি ফোর্সের প্রধান যথা শফিউল্লাহ (এস ফোর্স) এবং খালেদ মোশাররফ (কে ফোর্স)-এর সাথে তুলনা করা যেতে পারে। এমন কি সাবেক সেনা প্রধান হিসেবে দেশের অন্যান্য সাবেক সেনাপ্রধানদের সাথে তাঁকে তুলনা করা যেতে পারে। এটাই যুক্তিসংগত।
স্বৈর বা সামরিক শাসক হিসেবে আইয়ুব খান বা অন্যান্য স্বৈর-সামরিক শাসকদের সাথে তাঁকে তুলনা করা যেতে পারে। সেনা ছাউনি থেকে রাজনৈতিক দল গঠন করার জন্য এরশাদের মতো লোকদের সাথে তাঁকে তুলনা করা যেতে পারে।


কিন্তু শেখ মুজিবের সাথে তুলনা আসে কোত্থেকে? কোন এঙ্গেলে বা কোন যোগ্যতার মাপকাঠিতে ? কীভাবে ? এর জবাব নেই।


আমরা স্বাধীনতার পরবর্তী নতুন প্রজন্ম মু্ক্তিযুদ্ধ দেখেনি, ইতিহাস পড়ে পড়ে জেনেছি শুনেছি। মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা অসংখ্য বই বাজারে ছড়িয়ে আছে। রয়েছে নানা গবেষণা ধর্মী বইও। মুক্তিযুদ্ধ কোনো নিছক অথবা ছেলেবেলার খেলা ছিল না। দীর্ঘ সংগ্রাম, তিলে তিলে গড়ে উঠার মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল। বাঙালি জাতির ভয়ঙ্কর আত্মত্যাগের ফসল আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে একটি চিহ্নিত গোষ্ঠীর আজ থেকে ৪৫ বছর পূর্বের মীমাংসিত ইতিহাস বিষয়বস্তু নতুন করে উপস্থাপনা করার ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা লক্ষ্যনীয়। কিছু পন্ডিত ও মুর্খতার পরিচয় দিয়ে তারা মাঝে মধ্যেই একটা অহেতুক যখন কেউ যদি শেখ মুজিবের কথা বলেন সাথে সাথে জিয়ার কথাও কিছুটা বলেন, নিজেকে ‘নিরপেক্ষ’ হিসেবে প্রমান করতে চায় শুধু ব্যক্তি পর্যায়েই না, রাষ্ট্রীয় ভাবেই এই খেলাই মেতেছে গুটি কয়েক লোক। দু’একটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে "মুজিব হল" হলো, সুতরাং একটা জিয়া হলও হওয়া চাই। জেমস গান গাইল বাংলাদেশ নিয়ে; মুজিবের নামের পাশাপাশি জিয়ার নামও উচ্চারন করল ! কেননা, তাছাড়া তো ‘নিরপেক্ষতা’ প্রমান হয় না ! এসব কি নির্বুদ্ধিতা কিনা।


স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পিছনে অবশ্যই জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। উনি সাহসী বীরযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের একজন অগ্রসৈনিক এবং বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করেছিলেন। তারমানে এই নয় কথায় কথায় বঙ্গবন্ধুর নামের পাশে আমরা জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারন জড়িয়ে ফেলতে পারি ! এটা খুবই অন্যায়।
বাংলাদেশটা যদি একটি সৌরজগতের সাথে তুলনা করি তবে শেখ মুজিব হলেন সূর্য আর অন্যান্য যে কোনো নেতা বা শাসক বা স্বৈরশাসক হবেন তাঁর গ্রহ-উপগ্রহ। একটা নক্ষত্রের সাথে কি একটি গ্রহ বা উপগ্রহের তুলনা করা চলে ?


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ সংগ্রামী জিবনের ওপর নিজের লেখা পান্ডলিপি রেখে গিয়েছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির জেল, জুলুম ত্যাগ আদর্শ ইচ্ছা বাসনা সবটুকু যেন পরিষ্কার করে দিয়ে গেছেন তাঁর "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" মধ্যদিয়ে। সেখানে জিয়াউর রহমানের নাম নেই। কেনোই বা থাকবে ? মেজর জিয়াউর রহমান  ইতিহাসের অংশিদার হয়েছিলেন, ২৭শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের বঙ্গবন্ধুর প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠের মধ্যদিয়ে। যদিও স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ জিয়াউর রহমান প্রথম করেননি। তার আগেই শতবার পাঠ করা হয়েছিল। উল্লেখ্যযোগ্য তৎকালীন চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের নেতা এম এ হান্নান ২৬ মার্চে ষোষনাপত্র পাঠ করেছিলেন। একদিন পাঠ করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। লজ্জার বিষয় এখনো বিএনপি নামক দলটি বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে শুধুই পাঠককে ঘোষক হিসাবে জিয়াকে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
যদিও আদালত আন্তর্জাতিকভাবে দালিলিক প্রমান তথ্য ভিক্তিতে রায় দিয়েছেন- স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া নন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।


মানুষের যতগুলো অনুভূতি আছে তার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতি হচ্ছে ভালবাসা । আর এই পৃথিবীতে যা কিছুকে ভালবাসা সম্ভব তার মধ্যে সবচেয়ে তীব্র ভালোবাসাটুকু হওয়া উচিত মাতৃভূমির জন্য । যে মাতৃভূমিকে ভালবাসতে পারে না কোন কিছুকেই তার পক্ষে ভালবাসা সম্ভব না । যার জন্ম না হলে এই বাংলাদেশের সৃষ্টি হতো না । যার জন্ম না হলে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক কোন দেশের নাম থাকতো না । এই বাংলাদেশ, এই মায়ের সৃষ্টির জনক হচ্ছে আমাদের জাতীয় পিতা শেখ মুজিবুর রহমান । এই সুন্দর বাতাস, এই সুন্দর নদী, এই স্বাধীনতা যাকে ছাড়া সম্ভব ছিল না তিনি হলেন আমাদের জাতীয় নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।


কিন্তু এই বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেও কিছু কিছু কুলাঙ্গার এই জাতীয় নেতার বিরুদ্ধে কথা বলার দুর্শাসন করেন । জাতীয় পিতার গৌরব গাঁথা ইতিহাস ম্লান করে দিতে চায় । মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে দিতে চায়। যদিও সম্ভব নয়। এই বাংলার মানুষ কি এতোই নিমকহারাম যে মাত্র ৪৫ বছর আগের ইতিহাস ভুলে যাবে ? জাতির পিতার মহান অবদান অস্বীকার করবে ?


আজকের নতুন প্রজন্মের শতভাগ না হলেও নব্বই ভাগ বিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধ ছিল আমাদের গর্বের অহংকারের। যার নেতৃত্বে পুরোধা ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। তাতেই প্রমান করে এক মুজিব লোকান্তরে লক্ষ মুজিব ঘরে ঘরে। 

ONN TV
payoneer
নিউজ আর্কাইভ
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ ব্যাপী ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠা

জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ
জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গনসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার

দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নবগত নির্বাহী অফিসারের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়
 শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা নবগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। সোমবার দুপুরে নির

দেবহাটায় ছাত্রলীগের ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট
৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

মীর খায়রুল আলম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ছাত্রলীগের উদ্যেগে ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার গোপাখালি মাঠে দে

দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন
দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন

মীর খায়রুল আলম:: দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে ছুটির দিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। শুক্রবা

শিরোনাম