TURNER IT SOLUTION

মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ১০:৩১ pm

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include() [function.include]: Failed opening 'usbd/config/connect2.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: mysql_num_rows() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/onn24/public_html/details.php on line 84

কবি ও সাংবাদিক নাজিম আহমেদ এর কলাম/বাংলার দুঃখ রয়েই গেলো/

  • কবি ও সাংবাদিক নাজিম আহমেদ এর কলাম/বাংলার দুঃখ রয়েই গেলো/

আমাদের বাংলা ভাষা আমাদের অহমিকা তা বলার আর কোন অবকাশ নাই। মায়ের ভাষার জন্য সংগ্রাম, জীবনদান, আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম ঘটনা/প্রাপ্তি। মানব জাতির মুখের ভাষা তার প্রাণের মূল টান, আত্মা জাগ্রত ও ভাব জাগরণ থাকার বড় অস্তিস্থ। মাতৃভাষার বয়ানে সব কিছু দারুণ ভাবে উজ্জীবিত হয় অমায়িক বর্ণভারে। সমস্থ  অবহাগন ভাব ভাবনায় চিন্তা চেতনায় খোলস পরিতৃপ্তি যোগান দেয় এই বাংলা ভাষা।
সারা বিশ্বে এতো গুলো জাতির মধ্যে ভাষার জন্য কোন জাতি প্রাণ বির্সজন দিয়েছে কী না তা আমার জানা নাই। আমাদের এই বাংলা ভাষার জন্য যে কারো দরদ ভালোবাসা ও নিপাট মমতা ঢের আছে নিঃসন্দেহে। দিব্য জ্ঞানে সবাই আমাদের ভাষাকে অগাধ শ্রদ্ধা করার মন মানসিকতা রাখি তা অপকটে স্বীকার করা যায় । তারপরেও যেন কিছু একটা কিন্তু থেকেই যায়। কেননা ঘটনার আড়ালে যে বাংলা ভাষা ও ভাষা শহীদের বিদেহী আত্মার দুঃখ, বিষন্নতা থেকেই যায় তা আমার খুব কম খেয়াল করি। মোদ্দাকথা আমাদের সেই বাংলা ভাষার দুঃখ আছে, দুঃখী আমাদের বাংলা ভাষা বিশেষ করে বাংলা ভাষার বানান গায়ে।
বাঙ্গালির জাতীয় জীবনে পালিত আর আর দিবস গুলোর চেয়ে মাতৃভাষা দিবসটি দেদার বর্ণাঢ্যে পালন করা হয়। কারণ এই ভাষাকে কেন্দ্র করেই আমাদের সকল জয়ের আতুঁর ভূমি জন্ম হয়েছিল। আজ এই ভাষার সম্মানার্থে  আমাদের দেশের গণ্ডি পেড়িয়ে আর্ন্তজাতিক সীমা ছুঁয়ে ভালো সুনাম কামিয়েছে ভাষা দিবস পালনের ক্ষেত্রে। দেখা যায়, ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে “আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে ঘোষণা এবং ২০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে দিবসটি জাতি সঙ্ঘের সদস্য দেশসম–হে যথাযথ মর্যাদায পালিত হচ্ছে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দের ২১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে  আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের  প্রস্তাবনাটি সাধারণ পরিষদের পাশ হয়।  হিসেব কষলে তারও বয়স কম না। মোট কথা ১৯৯৯ থেকে সতের বছর চলছে। প্রশ্ন অর্জন কতটুকো?
ফি বছর ভাষা ও ভাষা শহীদদের সম্মান-শ্রদ্ধার অনুরূপে ফেরুয়ারির সারা মাস জুড়ে পালিত হয় বই মেলা। ভাষা প্রেমী বাঙালিরা সব ভেদাভেদ ভুলে প্রাণ সজ্জায় শহীদদের দরদে দরদে বর্ণিল করে তুলতে মরিয়া হয় বই মেলা উপাখ্যান রচনায়। বই মেলা মনে করিয়ে দেয় ভাষা আন্দোলনের গোড়ার কথা, সাথে সাথে জলজল করে ৫২ (১৩৫৯) খ্রিস্টাব্দ একটি নয়া বাংলাদেশের কথা। কী কারণে আজ ভাষার জন্য এতো আয়োজন। কেন ছিল ভাষার জন্য অতীতের এতো জ্বলন পীড়ন। আর শেষমেটা কী অবস্থায় আছে সেই থেকে আজকের বাংলা ভাষা তার বাংলা বানান এবং সর্ব ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ব্যবহারের আদি বিধান ।

১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২১ ফেব্রুয়াররি  ভাষাপ্রেমী বীরদের আত্মদান যেমন পরর্বতী সংগ্রাম সংগঠিত হওয়ার গোড়াপত্তন হয়েছিল তেমন ৫২ থেকে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ভেতরে ভাষিক চেতনার ফসল ঘরে আনতে সক্ষম হয়েছিল বীর বাঙালিরা। সেই ৫২ এর ৮ ফাল্গুন ভাষার জন্য আত্মোর্ত্সগের সে সুকরুণ ঘটনা ঘটেছিল ম–লত সেই স্মৃতির ম–ল নিদর্শন আজকের বই মেলা ও শহীদ মিনার। সারা দেশে দেখা যায় হাতে আঙ্গুলে গুনা দিবসগুলোতে শহীদ মিনার ধোয়ামুছা করা হয়। বড় অনারম্বর ভাবে পালিত হয় বই মেলা। জাতীয় ভাবে যার স্বীকৃত নাম “ অমর একুশে গ্রন্থমেলা।” বই মেলা বলি আর গ্রন্থমেলাই বলি না কেন তার যাত্রার বয়সও কম নয়। এটা শুরুর পেছনেও  রয়েছে দু চার কথা। যদ্দুর জানা যায়, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ৮ ফেব্রুয়ারি চিত্তরঞ্জন সাহ এক টুকরো চটের উপর মাত্র ৩২ টি বই  সাজিয়ে বই মেলার  গোড়া পত্তন করেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি একাই এই বই মেলা চালিয়েছেন। অবশেষে ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে তার সাথে যুক্ত হয় বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশনা সমিতি। সর্ব শেষে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে প্রথম “একুশে গ্রন্থ মেলা”র আয়োজনের মধ্য দিয়ে জন্ম হয় আজকের এই বই মেলা।
কথাগুলো বলার কারণ হলো আজকের এই বই মেলা বা একুশে গ্রন্থ মেলা এতোদ–র আসার পথটা খুব সরলাঙ্কের নয়। যদি ভাষার প্রতি বা ভাষা শহীদের প্রতি ভালোবাসা না থাকতো তবে বই মেলার এদ্দুর আসার কোন সম্ভবনাই ছিলো না নিছক। জিজ্ঞেসা হলো, যে ভাষার জন্য এতো বড় বড় খেরোপাতা, যে ভাষার জন্য এতো কাঠ কুঠরি পোড়া হলো, মানব জীবন বধ হলো সে ভাষাকে আমরা কতটুকো প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি? বা কতটুকো মানতে পেরেছি? কতটুকো খেয়াল রাখি এই ভাষার বানানের বেলায়। খুব বড় পরিসরে নয়, বাংলা ভাষার বানানের প্রতি শ্রদ্ধাবরে একটু চোখ বুলিয়ে আসি।
    কথা বলতে গিয়ে পুরনো একটা প্রবাদ মনে পড়ে গেল। যে সরিষা দিয়ে ভূত ছাড়ানো হবে, সে সরিষাতেই যদি ভূত থাকে তাহলে অবস্থা কেমন হবে? অপকটে বলা যায় বেগতিক। তেমন অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ‘ভুল’ বানানটি ভুল। আরো বেশি লক্ষণীয় যে আমাদের দেশের উযাপিত নানা দিবসে শহীদ স্মৃতির বেদীতে ফুলের তোড়া দেয়া হয়। আর আর বিষেশ দিন গুলোর কথা বাদই দিলাম। ধরা যাক, ২১ ফেব্রুয়ারীর কথা।
ভাষা ও ভাষা শহীদের প্রতি সম্মানার্থে  শহীদ মিনারের বেদী ফুলের তোড়ায় তোড়ায় ভরে যায়। প্রভাতফেরির খালি পায়ে মৃদু কদমে কদমে গভীর শ্রদ্ধা জানাতে জনারণ্য দেখা যায় বেশ বেশ। সে ফুলের তোড়ার মাঝে লাল কালিতে বড় বড় বর্ণে লেখা থাকে “শ্রদ্ধাঞ্জলী”। ভাষা শহীদের প্রতি হায়রে দরদিয়া শ্রদ্ধাঞ্জলী বানানটি যে শ্রদ্ধাঞ্জলি হবে তার কোন খেয়াল নাই। যারা ভাষার জন্য আত্মদান করে গেলো তাদের ক্ষেত্রেই ভুল বানানের অর্ভ্যথনা দেয় হয়। তবে কী বাংলা ভাষা দুঃখী নয়?
এতো গেলো এক শ্রদ্ধাঞ্জলির কথা। সাথে আরো হাজার হাজার ভুল বানান দেখি। বড় বড় সনদপ্রাপ্ত  ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা তাদের সই সম্বলিত পত্র-প্রপত্র সেখানেও দেখি অজস্র ভুল বানানে ভরা। গেলো জানুয়ারীতে কোন এক প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক আমাকে আমন্¿ণ করা হলো। আমন্¿ণ পত্রটি হাতে পাওয়া মাত্র বেশ উত্সাহ নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। দেখি সুধী বানান সহ মোট ভুল বানান ছয়টি। ভাষাগত ভুল আরো তিনটি। মনটা বেশ টেঙ্গা হয়ে গেলো। অবশ্য সে প্রতিষ্ঠান প্রধানের শিক্ষাগতযোগ্যতা মোটা কালিতে দেয়া আছে। বানানে ভাষার অর্থ বদলে যায় যদি একটা চিঠিতে এতো বানান ভুল হয় তবে সে কী বাংলা ভাষার দুঃখ নয়?
সারা দেশ জুড়ে দেখা যায় বাংলা ভুল বানানের হিড়িক। হোক সে দোকান পাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা যে কোন সংগঠন , সংস্থা প্রভৃতি। সত্যিকারে বড় অর্জনের আড়ালে  বাংলা ভাষার বড় করুণ অবস্থা। খুব সাধারণ কয়েকটি বানান। যেমন- রেস্টুরেন্ট শব্দের বানানটি প্রায় দেখা যায় “রেষ্টুরেন্ট” এটা যে ভুল তা অনেকে খতিয়ে দেখে না। আরো দুঃখের ব্যাপার হলো “ ফটোস্ট্যাট ” বানাটি যা একাডেমিক শিক্ষা সর্ম্পকিত। সেটাও দেখা যায়, ফটোষ্ট্যাট লেখা। এছাও প্রায় আইনজীবীর গাড়িতে বা বাড়িতে সাইনবোর্ড দেখা যায় আইনজীবি লেখা। আরো লজ্জার বিষয় হলো আমাদের দেশের অনেক সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মেইন ফটকে বড় বড় অক্ষরে লেখা আছে .... সরকারী বিদ্যালয়/ মহাবিদ্যালয়। যা দেখে দেখে আবাল বৃদ্ধা বনিতা সবাই মতিষ্কে হেফজ হয়ে যায় ভুল বানান। সেখানে বলা  আছে প্রমিত বাংলা বানানে সরকারী না হয়ে সরকারি হবে।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানে (বর্তমান বাংলাদেশে) একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। গেলে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ৩ ডিসেম্বরে এই বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠারও ৬০ বছর হয়ে গেছে। তারপরেও আমাদের ভুল বানানের সিংহভাগ শুধরাতে পারে নাই। বলা বাহুল্য নিজে যদি এই বানানের বেলায় সচেতন না হই তবে বাংলা একাডেমী বা কোন বানান পন্ডিত কী আর করবে?
৫২ এর আগে পর পরে বাংলা ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের যতটা দরদ ও আবেগাকূল হয়ে মাথায় ভাব জমেছিল, আমার মনে হয় এখনও সে ভাব কাজে পরিণত করতে যে পারি নি। কেননা ৫২ ভাষা আন্দোলন ও পরর্বতী ৭১ এ সবার একটাই ভাবনা চিন্তা ছিলো  যে  বাংলা ভাষার ব্যবহার সর্ব ক্ষেত্রে ও শুদ্ধ হবে। কোন প্রতিষ্ঠান বা বাড়ির নাম ঠিকানা- টাঙানো সাইনবোর্ড ইংরেজিতে লেখা থাকতে পারবে না।   কিন্তু স্বাধীনতার মাত্র এক দশকের মধ্যে আবার ফিরে এলো ইংরেজির চর্চা। শহরের আনাচে-কানাচে গড়ে উঠলো  ইংলিশ মিডিয়াম কিন্ডারগার্টেন, সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি গাড়ি বলা চলে সব খানেতে ইংরেজিতে লেখা নাম ইংরেজিতে সাইনবোর্ড । কিন্তু একটু ইতিহাস দেখলে কী দেখা যায়? ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে  জাতি সংঘে বাংলা ভাষণ দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তারও আগে ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমির একুশের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এও বলেছিলেন, “আমি ঘোষণা করছি, আমাদের হাতে যে দিন ক্ষমতা আসবে, সেদিন থেকেই দেশের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু হবে। বাংলা ভাষার পণ্ডিতগণ পরিভাষা তৈরি করবেন, তার পরে বাংলা ভাষা চালু হবে, সে হবে না। পরিভাষাবিদেরা যত খুশি গবেষণা করুন, আমরা ক্ষমতা হাতে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলা ভাষা চালু করে দেব। সে বাংলা যদি ভুল হয়, তবে ভুলই চালু হবে, পরে তা সংশোধন করা হবে। এ কথাগুলো থেকে খুব সহজে অনুমেয় যে সংগ্রাম স–চনা থেকেই ভাষার প্রতি আমাদের দরদ কখনোই কম ছিল না। বলাছিল যে ভুল হলে পরে সংশোধন করা হবে কিন্তু কই তার সংশোধন? মোদ্দাকথা বাংলা ভাষার দুঃখ রয়েই গেলো ###   

ONN TV
payoneer
নিউজ আর্কাইভ
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ ব্যাপী ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠা

জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ
জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গনসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার

দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নবগত নির্বাহী অফিসারের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়
 শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা নবগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। সোমবার দুপুরে নির

দেবহাটায় ছাত্রলীগের ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট
৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

মীর খায়রুল আলম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ছাত্রলীগের উদ্যেগে ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার গোপাখালি মাঠে দে

দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন
দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন

মীর খায়রুল আলম:: দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে ছুটির দিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। শুক্রবা

শিরোনাম