TURNER IT SOLUTION

মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ৭:১৩ pm

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include() [function.include]: Failed opening 'usbd/config/connect2.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: mysql_num_rows() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/onn24/public_html/details.php on line 84

অামাদের ক্রিকেট ও অামাদের ভবিষ্যৎ- এম.অার টিপু

  • অামাদের ক্রিকেট ও অামাদের ভবিষ্যৎ- এম.অার টিপু

    অামাদের ক্রিকেট ও অামাদের ভবিষ্যৎ- এম.অার টিপু

ভালবাসার আরেক নাম ক্রিকেট। বাংলাদেশের ক্রীড়ামোদী , ক্রীড়াসংগঠক এবং খেলোয়ারদের উৎসাহে গড়ে ওঠা ক্রিকেট পরিমন্ডলের সাফল্যের প্রাথমিক স্বীকৃতি হিসাবে ১৯৭৭ সালে প্রথম বারের মত বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা-র সহযোগী সদস্যপদ লাভ করেছিল । তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট সংস্থার প্রচেষ্টায় ক্রমে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক স্তরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে । দুই দিন , তিন দিন ও চার দিনের খেলার স্তর পার হয়ে অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আই সি সি চ্যাম্পিয়নশীপ এ বিজয়ী হবার মধ্য দিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তম আসর “আই সি সি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ১৯৯৯” এ খেলবার সুযোগ পায় । প্রথম বারের অংশগ্রহণ বাংলাদেশকে এনে দেয় শক্তিশালী পাকিস্তান এর বিপক্ষে ঐতিহাসিক বিজয়।

বাংলাদেশে ক্রিকেটের আগমন ইংরেজদের মাধ্যমে। অবিভক্ত ভারতবর্ষে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় ব্রিটিশরা এ এলাকায় ক্রিকেটের সূচনা করেছিল। ব্রিটিশ আমলে বাংলার ক্রিকেট ছিল প্রধানত পশ্চিমবঙ্গকেন্দ্রিক। উইজডেনের ভাষ্যমতে কলকাতা ক্রিকেট ক্লাব গঠিত হয় ১৭৯২ সালে। ১৯২৬ সালে এম.সি.সি. কলকাতার ইডেন গার্ডেনে অবিভক্ত ভারতের সঙ্গে খেলে। ১৯৩৫ সালে বাংলা রঞ্জি ট্রফিতে প্রথমবারের মতো অংশ নেয়।

১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর এই ভূখন্ড পরিচিত হয় পূর্ব পাকিস্তান হিসেবে। পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানীয় দল কায়েদে আজম ট্রফিতে অংশ নেয়া শুরু করে ১৯৫৪ সাল থেকে। ১৯৫৫ সালের জানুয়ারি মাসে নবনির্মিত ঢাকা স্টেডিয়ামে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম) প্রথম টেস্ট ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয় পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে। ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৯ সালের মাঝে এই স্টেডিয়ামে মোট ৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়। তবে পূর্ব পাকিস্তানের কোন খেলোয়াড়ের পাকিস্তানের মূল একাদশে খেলার সুযোগ হয়নি।তবে ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে ঢাকায় অনুষ্ঠিত পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানের রকিবুল হাসান সুযোগ পান।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড গঠিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ক্রিকেট লীগ শুরু হয়। ১৯৭৪/৭৫ মৌসুমে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শুরু হয়, জেলা পর্যায়ে প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ লীগ আরম্ভ হয়। ধীরে ধীরে অন্যান্য প্রতিযোগিতা, যেমনঃ শহীদ স্মৃতি ক্রিকেট, দামাল সামার ক্রিকেট, স্টার সামার ক্রিকেট, জাতীয় যুব ক্রিকেট, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা প্রভৃতি শুরু হয়। ১৯৭৬ সালের ডিসেম্বর মাসে এম.সি.সি. প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে খেলতে আসে। ২৬ জুলাই, ১৯৭৭ বাংলাদেশ আই সি সি-র সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে। ৭০ দশকের শেষ দিক হতে বাংলাদেশে শ্রীলংকা, ভারত, পাকিস্তান থেকে বিভিন্ন দল ট্যুরে আসতে শুরু করে। এম.সি.সি. বেশ কয়েকবার এদেশে আসে। ১৯৭৯ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম আই সি সি ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়। ১৯৮২ সালে অংশ নেয় দ্বিতীয় আই সি সি ট্রফিতে। এতে তারা চতুর্থ স্থান লাভ করে। ১৯৮৬ সালের মার্চে শ্রীলংকায় আয়োজিত দ্বিতীয় এশিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ তাদের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে। একই বছর তৃতীয় আই সি সি ট্রফিতে অংশ নেয় বাংলাদেশ। ১৯৮৮ তৃতীয় এশিয়া কাপ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।এই এশিয়া কাপ এ ভেন্যু ছিল ঢাকা এবং চট্টগ্রাম। ১৯৯০ সালে শারজাহতে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলেশিয়া কাপে বাংলাদেশ অংশ নেয়। ঐ বছরই তারা খেলে চতুর্থ আই সি সি ট্রফি। এতে তারা তৃতীয় স্থান লাভ করে। এসময় আই সি সি ট্রফির শীর্ষ দল বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত। '৯০ এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ চতুর্থ এশিয়া কাপে অংশ নেয়। ১৯৯৪ সালে পঞ্চম আই সি সি ট্রফি হয় কেনিয়াতে। এসময় থেকে নিয়ম করা হয় এই প্রতিযোগিতার সেরা ৩টি দল পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। কেনিয়ার নাইরোবি জিমখানা মাঠে অনুষ্ঠিত খেলায় বাংলাদেশ স্বাগতিক দলের কাছে হেরে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়।

১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ আই সি সি ট্রফি। পুরো প্রতিযোগিতা কৃত্রিম টার্ফ বসানো পীচে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে তৎকালীন অধিনায়ক আকরাম খানের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় হল্যান্ডকে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ( সেরা ৩টি দল এই সুযোগ পায় )। বৃষ্টি বিঘ্নিত ফাইনালে কেনিয়াকে ১ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। একই বছরে বাংলাদেশকে আই সি সি ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রদান করে। ১৯৯৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত একটি ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতায় কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের প্রথম জয় লাভ করে। ঐ বছরের অক্টোবর মাসে সব টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে বাংলাদেশে আয়োজিত হয় নকআউট ধাঁচের মিনি বিশ্বকাপ। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত হয় ৭ম বিশ্বকাপ ক্রিকেট। এতে বাংলাদেশে ২৪ মে স্কটল্যান্ডকে ২২ রানে এবং ৩১ মে ৩১ মে নর্দাম্পটনে পাকিস্তানকে ৬২ রানে পরাজিত করে। ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে এদেশে প্রথম শ্রেণীর জাতীয় ক্রিকেট লীগ শুরু হয়, যাতে অংশ নেয় সকল বিভাগীয় দল। ২৬ জুন, ২০০০-এ বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে। সেই বছরের ১০ থেকে ১৪ নভেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ তাদের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরবর্তী সময়ে অন্যান্য সেক্টরের মতো ক্রীড়াক্ষেত্রেও অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায় বিগত সরকার প্রধানরা বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নে যতটা আন্তরিক থাকেন, ক্রীড়াক্ষেত্রে তা থাকেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। বাংলাদেশের যুব সমাজকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তিনি সবসময়ই খেলাধুলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। শুধু ফুটবল বা ক্রিকেট নয়, সব ধরনের খেলাধুলার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমান পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকেন। খেলাধুলার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নজরের কারণে ইতোমধ্যে ক্রীড়ার সবগুলো ইভেন্টে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের খোঁজখবর প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে থাকেন। ফলে সংশ্লিষ্টদের জন্য এসব আয়োজন অনেক সহজ হয়ে যায়। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে শ্রীলংকা ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর, এশিয়া কাপ-২০১৪ এবং আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশ-২০১৪ টুর্নামেন্ট আয়োজন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, এ বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল-আইসিসির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট কাউন্সিল-বিসিবিকে এ বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের কারণে কর্মকর্তাদের পক্ষে এসব টুর্নামেন্ট আয়োজন অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। বলা যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই বাংলাদেশ সফলভাবে এই টুর্নামেন্টগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছে। চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে আন্তর্জাতিকমানের এসব টুর্নামেন্ট আয়োজন ও সফল সমাপ্তির কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থন ও সহযোগিতায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ, বর্ণাঢ্যময় ও আকর্ষণীয় উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজনসহ তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশ সাউথ এশিয়ান গেমসের মতো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান আয়োজন সফল হয়েছিল। এসব আয়োজন বর্ণাঢ্যময় ও আকর্ষণীয় হওয়ায় এবং কোনোরূপ গোলোযোগ ছাড়াই সম্পন্ন হওয়ার কারণে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা প্রশংসিত হয়েছে এবং দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের সুনাম ও গৌরব বৃদ্ধি পেয়েছে। আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় অত্যন্ত সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশ-২০১৪। এ টুর্নামেন্টে ক্রিকেট বিশ্বের সব দেশ অংশগ্রহণ করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আয়োজন করে মহিলাদের আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করার ফলে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে সমাবেশ ঘটে অন্তত ২৭টি জাতীয় দলের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতায় ২৭টি জাতীয় দলের বাংলাদেশে অবস্থান, খেলায় অংশগ্রহণ ও নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়া সুচারুরূপে সম্পন্ন হয়। এ কারণে আইসিসির কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি অন্য রকম উচ্চতায় স্থান পায়।

আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে এসব অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি মহিলা বিশ্বকাপ ক্রিকেট বাছাই পর্ব-২০১১ এ বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন করে জাতির জন্য নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়ন অাজ বিশ্ব দরবারে প্রসংণীয়। এর পর থেকেই একের পর এক অাসছে ক্রিকেটের অর্জন ও সফলতা।

একদিন অামরাও স্বপ্ন দেখি - বিশ্বকাপ অর্জনের। অামরা ইতিমধ্যে অনেক দুর্লোভ বিজয় ছিনিয়ে অানতে পেরেছি, অামরা পারবো এবং অামাদের পারতেই হবে। জয় হোক বাংলাদেশ টাইগারদের। 

ONN TV
payoneer
নিউজ আর্কাইভ
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ ব্যাপী ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠা

জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ
জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গনসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার

দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নবগত নির্বাহী অফিসারের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়
 শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা নবগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। সোমবার দুপুরে নির

দেবহাটায় ছাত্রলীগের ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট
৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

মীর খায়রুল আলম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ছাত্রলীগের উদ্যেগে ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার গোপাখালি মাঠে দে

দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন
দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন

মীর খায়রুল আলম:: দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে ছুটির দিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। শুক্রবা

শিরোনাম