TURNER IT SOLUTION

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ || সময়- ১২:৪০ am

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include(usbd/config/connect2.php) [function.include]: failed to open stream: No such file or directory in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: include() [function.include]: Failed opening 'usbd/config/connect2.php' for inclusion (include_path='.:/usr/lib/php:/usr/local/lib/php') in /home/onn24/public_html/details.php on line 82

Warning: mysql_num_rows() expects parameter 1 to be resource, boolean given in /home/onn24/public_html/details.php on line 84

রুখতে হবে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন.....................মোঃ নাজমুল হোসাইন

  • রুখতে হবে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন.....................মোঃ নাজমুল হোসাইন

    রুখতে হবে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন.....................মোঃ নাজমুল হোসাইন

আকাশ সংস্কৃতির অপছায়া এখন গ্রাস করে নিচ্ছে শিশুর দুরন্তপনা ও স্বপ্ন-সুখের শৈশবকে। চার দেয়ালের ভেতর তার জন্য সব বন্দিত্বের আয়োজন। টেলিভিশন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ফেসবুক, ভিডিও গেম আর মোবাইল গেম রীতি মতো ভূতের বোঝা হয়ে চেপেছে শিশুর মনে। ডরিমন, পকিমন আর বেকুব বানানোর জন্য স্টার জলসার কিছু আয়োজন গিলে খাচ্ছে শিশুর স্বপ্ন বিলাস। এখন অনেক বাবা-মায়ের অভিযোগ ডরিমন, পকিমন নিয়ে। অভিযোগ ইন্ডিয়ান চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠান নিয়ে। শিশুরা এখন অকপটে যেসব হিন্দি ভাষায় কথা বলতে শিখছে, যা শুনে বাবা-মায়েরা বোকা বনে যাচ্ছেন। তারাও জানেন না এসব ভাষার মানে কি। যে শিশুটি ঠিকমতো বাংলা বলতে শিখেনি, সে স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করছে ভিনদেশি ভাষা হিন্দি। এখনো আমাদের টনক নড়ছে না।অ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব ইন্ডিয়ার এক জরিপে জানা যায়, টিভি অনুষ্ঠানে লাগামহীন যৌনতা ও সহিংসতা প্রদর্শনে রাশ টানতে একটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ চায় ৬৩ শতাংশ ভারতীয় বাবা-মা। জরিপের ফলাফলে দেখানো হয়, শিশুদের ১০ শতাংশ সহিংস আচরণের জন্য টিভি অনুষ্ঠানের চমৎকার প্রদর্শনই দায়ী। জরিপে আরো বলা হয়, ৪ থেকে ৬ বছরের শিশুরা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেয়ে টিভি দেখতেই বেশি পছন্দ করে। ৭৬ শতাংশ বাবা-মা বিশ্বাস করে টেলিভিশনের অনুষ্ঠানের কারণেই ৪ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুরা অভিভাবকদের শ্রদ্ধা করে না। এই হলো ভারতের অবস্থা। ভারতের আগ্রাসী প্রভাব এখন আমাদের দেশেও পড়তে শুরু করেছে।পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর মধ্যে নিজস্ব সংস্কৃতি বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের এ যুগে সুস্থ ও নির্মল সংস্কৃতি বিলুপ্ত হওয়ার পথে। বাংলাদেশেও পারিবারিক কলহের উৎস স্টার জলসা-স্টার প্লাস-জি বাংলা ইত্যাদির কারণ জোরালোভাবে প্রকাশিত হচ্ছে।, বর্তমানে বাংলাদেশে যেসব পরিবারে ঝগড়া-বিবাদ, কলহ সৃষ্টি হচ্ছে তার অন্যতম উৎসই হলো ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল স্টার জলসা, স্টার প্লাস ও জি বাংলার বিভিন্ন সিরিয়াল নাটক। আর তাই একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্যই বাংলাদেশে         ভারতীয় চ্যানেলের সম্প্রচার দ্রুত বন্ধ করতে হবে।আমরা জানি, সারা পৃথিবীতে সাম্রাজ্যবাদীরা সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালিয়ে অপসংস্কৃতির মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, অপসংস্কৃতির কারণে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে হাজার বছর এগিয়ে গিয়েও ধ্বংসমুখ সভ্যতায় পরিণত হতে চলেছে ইউরোপ-আমেরিকা। বিয়েপ্রথা ভেঙে গিয়ে এক বিষাক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে দেশগুলোতে। খুন, ধর্ষণ, আত্মহত্যা, বিকৃত যৌনাচার, মাদকাসক্তি ও অপরাধ সংস্কৃতি তাদের জীবনকে নরকের কু-ে পরিণত করেছে। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো বিদেশি সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে নিজস্ব সংস্কৃতি হারাতে বসেছে। দরিদ্রতার সুযোগ নিয়ে সুকৌশলে তাদের বস্তাপচা অপসংস্কৃতিগুলো গরিব ও মুসলিম দেশগুলোর ওপর চালিয়ে দিচ্ছে। পরিণতির প্রতিফলন আমরা কি দেখছি? বিনোদনে, সাহিত্যে পশ্চিমবঙ্গীয় ঢং। ভাটিয়ালী, মুর্শিদী তথা দেশীয় গান বাদ দিয়ে সর্বত্র হিন্দি গানের জোরালো চর্চা। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার হয়ে আমাদের সম্ভাবনাময়ী যুব সমাজ নিয়মিত ইংলিশ এবং হিন্দি চ্যানেল দেখে। বাংলা চ্যানেলকে তারা দেখতেই পারে না। এসব কারণে ভেঙে যাচ্ছে পরিবারপ্রথা, বেড়ে যাচ্ছে অবাধ যৌনাচার। পারিবারিক জীবনের সুন্দরতম দিকগুলো উপেক্ষা করে মানুষকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে অন্ধকারের দিকে। ভারতীয় চ্যানেলে প্রচারিত নারী চরিত্রের লক্ষণীয় দিক হচ্ছে-নারী সমাজের ভেতর একজন আদর্শ স্ত্রী, বোন, ভাবী, চাচী, দাদি, নানী ইত্যাদি হওয়ার চেয়ে কেবল একজন প্রেমিকা হওয়ার প্রতিযোগিতা গুরুত্ব পাচ্ছে।অপসংস্কৃতির এই আগ্রাসন থেকে বাঙালির চিরায়ত সভ্যতা বাঁচাতে মিডিয়াকে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে এখনই। লক্ষ্য করা যাচ্ছে, আমাদের দেশীয় মিডিয়াগুলোও ভারতীয় চ্যানেলের অনুকরণে বিভিন্ন অপরাধ অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান তৈরি করছে। এসব বন্ধ করে দেশীয় সংস্কৃতির অনুষ্ঠান নির্মাণে কাজ করতে হবে। দেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঢেলে সাজাতে হবে। সুস্থ সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাদের ব্যাপকভাবে কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষক সমাজ, সংস্কৃতিকর্মী ও ব্যক্তিত্বদের এক্ষেত্রে এক হয়ে কাজ করার সময় এসেছে।এখনই সময় এসেছে সংস্কৃতির আলোয় নতুন আকাশঁ গড়ার ।

 

লেখকঃ মোঃ নাজমুল হোসাইন

দপ্তর সম্পাদক,বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী 

ONN TV
payoneer
নিউজ আর্কাইভ
সর্বাধিক পঠিত
সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ ব্যাপী ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সখিপুর ইউনিয়নের সখিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২ দিনব্যাপী ক্রীড়া, কুইজ, রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বে-সরকারি প্রতিষ্ঠা

জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ
জেলা পরিষদের সদস্য প্রাথী শাপলার গনসংযোগ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে গনসংযোগ করেছেন জেলা পরিষদের সদস্য প্রার্থী সোনিয়া পারভীন শাপলা। সোমবার

দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নবগত নির্বাহী অফিসারের সাথে ফুলের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়
 শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলা নবগত নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের নের্তৃবৃন্দরা। সোমবার দুপুরে নির

দেবহাটায় ছাত্রলীগের ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট
৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

মীর খায়রুল আলম, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: দেবহাটায় ছাত্রলীগের উদ্যেগে ৪দলীয় ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার গোপাখালি মাঠে দে

দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন
দেবহাটায় ইএনও’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন

মীর খায়রুল আলম:: দেবহাটা উপজেলাকে মডেল করতে ছুটির দিনে উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল-আসাদ। শুক্রবা

শিরোনাম